১৩ ডিসেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এক বছরে চালু তাঁতের সংখ্যা কমেছে দেড় হাজার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ এক বছরে চালু তাঁতের সংখ্যা কমেছে দেড় হাজার। উৎপাদনও হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক। অথচ প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষতে হয়েছে নয় হাজারের ওপরে। যাদের পেছনে বাড়তি খরচ গেছে ৪৫ কোটি টাকা। ফলে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় ২২ পাটকলে শতকোটি টাকা লোকসান বেড়ে তা ছাড়িয়েছে পৌনে ছয় শ’ কোটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রুগ্ন প্রতিষ্ঠানের পেছনে করের টাকা না ঢেলে এখনই উচিত তা বন্ধ করে দেয়া। সারিবদ্ধ তাঁতঘরে যন্ত্রের শব্দ আওয়াজ বেশ খানিকটা ফিকে হয়ে গেছে লতিফ বাওয়ানী জুট মিলে। পরিত্যক্ত হয়ে আছে বহু তাঁত। জমাট বাঁধা ধুলোয়, কোনটিকে চেনাও এখন দুঃসাধ্য। ১৯৫৬ থেকে উৎপাদন চললেও বর্তমানে সাড়ে আট শ’ যন্ত্রের মধ্যে চালু মাত্র ৩৮৮টি। অথচ এর বিপরীতে শ্রমিক কাজ করেছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। যারা পণ্য উৎপাদন করতে পারেনি লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও। প্রায় একই অবস্থা বিজেএমসির অন্য কলকারখানাগুলোর। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কর্পোরেশনের ২২ কলে মোট তাঁত চলেছে চার হাজারের কিছু বেশি। যা আগের বছর থেকে কমেছে দেড় হাজার। অথচ ৩৯ হাজার স্থায়ী শ্রমিকের বিপরীতে কাজ করেছে ৫৯ হাজার। ফলে, বাড়তি শ্রমিক পুষতে গিয়ে অতিরিক্ত লোকসান দিতে হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা।