০৮ ডিসেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কাঠমান্ডুতে রাষ্ট্রপতিকে লালগালিচা সংবর্ধনা

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদকে। চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি কাঠমান্ডুতে পৌঁছালে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী তাকে স্বাগত জানান। খবর বিডিনিউজের।

রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইট স্থানীয় সময় বেলা ১টায় কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানমও এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন। বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে ‘স্ট্যাটিক গার্ড’ দেয়া হয়। নেপালের ইনফ্রাস্ট্রাকচার মিনিস্টার এবং নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতিকে মোটর শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হয় ভিভিআইপি বে’তে। সেখানে আবদুল হামিদকে স্বাগত জানান নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী। তার মেয়ে উষা কিরণ ভাণ্ডারী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। ভিভিআইপি বেতে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। একুশবার তোপধ্বনি করা হয় আবদুল হামিদের সম্মানে। বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত। ভিভিআইপি বে সাজানো হয়েছিল দুই দেশের পতাকা দিয়ে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা করে আবদুল হামিদকে হোটেল ফেয়ারফিল্ড ম্যারিয়টে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সফরে তিনি সেখানেই থাকবেন।

বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত পুরো সড়কের দুই পাশ সাজানো হয় দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি সম্বলিত প্লাকার্ড দিয়ে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়ানো শিশুরা দুই দেশের পতাকা নাড়িয়ে আবদুল হামিদকে স্বাগত জানায়। বিভিন্নস্থানে বসানো হয় তোরণ, রাস্তার মোড়ে প্রদর্শন করা হয় নেপালের ঐতিহ্যবাহী নাচ। বুধবার নেপালের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন ‘শীতল নিবাসে’ বিদ্যা দেবীর দেয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এই সফরে পোখারা এবং কাঠমান্ডুর বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন ঘুরে দেখবেন। সফর শেষে ১৫ নবেম্বর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।