১২ ডিসেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রাম বন্দরে দুদকের গণশুনানি যেখানে দুর্নীতি সেখানেই প্রতিরোধ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সদস্য এএফএম আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কমিশন সাধারণত দুটি বিষয় দেখে থাকে। একটি প্রতিরোধ, অন্যটি প্রতিকারমূলক। ২০০৭ সালে দুদক কার্যকর হয়েছে। আমরা যতগুলো মামলা করেছি তার ৭৩ শতাংশ শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছি। এই হার শতভাগে নিতে চাই। দেশে যেখানে অনিয়ম দুর্নীতি, সেখানে প্রতিরোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে আরও কঠোর হতে হবে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের শহীদ মুন্সী ফজলুর রহমান হলে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদক কমিশনার (তদন্ত) এএফএম আমিনুল ইসলাম কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, গণশুনানি দুর্নীতির বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে। অনেক সময় প্রতিষ্ঠানে কী অনিয়ম হচ্ছে, কিভাবে অনিয়ম হতে পারে তা প্রতিষ্ঠানের প্রধানও জানেন না। গণশুনানি দুর্নীতির পথকে চিহ্নিত করে দেয়। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের ৫ হাজার স্কুলে আমরা সততা স্টোর করেছি মূল্যবোধ শিক্ষা দিতে। আমাদের সন্তানদের ভাল মানুষ করতে হবে, তাদের মধ্যে সততা সৃষ্টি করতে হবে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নুরুল আলম নিজামী এ শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ। দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রম গতিশীল করতে এটি কমিশনের ১৩৭তম গণশুনানি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জুলফিকার আজিজ বন্দরের কার্যক্রম উল্লেখ করে বলেন, কন্টেনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং প্রবৃদ্ধি বছরে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ, যা জিডিপি প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি।