১২ ডিসেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সুস্থ আবরারের মৃত্যু কয়লা বিদ্যুত ও ভিসি!

  • মমতাজ লতিফ

রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র সুস্থ, সবল, উৎসাহী কিশোর আবরারের মৃত্যু আমাদের যেমন ক্ষুব্ধ করেছে, তেমনি ভাবিয়ে তুলেছে। প্রশ্ন জেগেছে- ১) যে সংস্থাটি উৎসবের আয়োজক, তারা, তাদের নেতৃবৃন্দ, একটি উৎসবের নিরাপত্তা বিশেষত প্রায় হাজারখানেক শিশু-কিশোরের নিরাপত্তাকে প্রথম দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করার কথা ছিল, কিন্তু তা করল না কেন? ২) এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে যুক্ত করা হলো না কেন? কারণ, তারাই তাদের ছাত্রদের নিরাপত্তার জন্য স্টেকহোল্ডারের মধ্যে সবচেয়ে দক্ষ এবং এ কাজে অভ্যস্ত। ৩) যদি জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুত সঞ্চালন করার ব্যবস্থা নিজ উদ্যোগে ওই উৎসব আয়োজকরা করে থাকে, তবে সেটি খ্যাতনামা, পরীক্ষিত কোন কোম্পানিকে তাদের দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান দ্বারা করা হলো না কেন? আমরা প্রতিদিন দেখছি, বিল্ডিংয়ে বিদ্যুত সংযোগ দিতে গিয়ে অদক্ষ কিশোর, তরুণ এ ভয়াবহ বিপদসঙ্কুল কাজটি জীবিকা নির্বাহ করতে গিয়ে গ্রহণ করে মারা যাচ্ছে, যা শুধু দুঃখের নয়, ভয়ানক উদ্বেগেরও! কারণ, এরা জীবিকার জন্য প্রাণঘাতী কাজে রত হচ্ছে, এ কাজের নিরাপত্তা বিষয়ক কোন দক্ষতা অর্জন না করে। এমন প্রাণঘাতী বিদ্যুত নিয়ে আর যাই হোক শিক্ষিতের কাছ থেকে কোন রকম অসাবধানতা, অসচেতনতা কাম্য ছিল না ও নেই! ৪) কিছু ছাত্র কেন বিদ্যুত স্পৃষ্ট হচ্ছে, তা দেখেও ভলান্টিয়াররা নেতৃবৃন্দকে দিয়ে ওই লাইনটিকে শঙ্কামুক্ত করতে পারলেন না কেন? আবরার বিদ্যুতস্পৃষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ মিনিটের পথ সোহরাওয়ার্দীতে আইসিইউর অতি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাটা পেল না কেন? শুনলাম, তাকে মহাখালী সাজেদা হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নেয়ার পরও উৎসবটি অব্যাহত ছিল! স্কুলের অধ্যক্ষ ছাত্রের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন বিকেল পাঁচটায়। এটি চরম অগ্রহণযোগ্য, অমানবিক এবং অসভ্য সংস্কৃতির প্রমাণ নয় কি?

এর কারণ হলো এই পুঁজিবাদী কর্পোরেট সংস্কৃতিতে ব্যক্তিই প্রধান। এখানে নেতৃবৃন্দ, হাজার শিক্ষার্থী হচ্ছে একটি ‘জমায়েত’, ‘ক্রাউড’ বা অংশগ্রহণকারী। এদের নাম, চেহারা, ভিন্ন পরিচয়ে হারিয়ে ‘সমাবেশে’ এরা মূল্যহীন, অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। আবরার আমার, আপনার প্রিয়পুত্র, ওকে সুস্থ পাঠিয়ে লাশ, মৃত্যু-আমি, আপনি মেনে নিতে পারি না। আমদের বুক ভেঙ্গে যায় সন্তানের মৃতদেহ কোল থেকে বিদায় দিতে! কিন্তু ও যে ‘সমাবেশ’ মাত্র, সমাবেশের হাজারের মধ্যে একজন! সে জন্য ও এ ‘সমাবেশে’ অচেনা, নামহীন, হয়ত সংখ্যা হয়ে মিশেছিল। এই পুঁজিবাদী সংস্কৃতির জৌলুস, তার উন্নত যন্ত্র আমাদের মানবিকতা, মানবিক দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে আমাদের ‘পুরস্কারপ্রাপ্ত’, সুবক্তা, বুদ্ধিজীবী, বিখ্যাত, খ্যাতনামা বা এমন কিছুতে পরিণত করে ‘গণ’ থেকে এত দূরে ঠেলে দিতে পারে যে, তখন আমরা একজন মানব সন্তানকে নিজের সন্তানসম গণ্য করতে অকার্যকর হয়ে যাই। অর্থাৎ মানব থেকে বৃন্তচ্যুত হই।

এই ঘটনার কথা শুনে প্রত্যেকবারের মতো মনে হলো- আমি কেন থাকলাম না ওখানে! তাহলে বাচ্চাটাকে রিক্সায় তুলে তখনই সোহরাওয়ার্দীতে আইসিউতে ঢোকাতাম। দরকার হলে ডাক্তারদের পা ধরেও আইসিইউর সেবাটা চাইতাম। অনেক অনেক সন্তানের জন্য যেমন পারিনি, আবরারকেও যথার্থ, দ্রুত সেবাটি দিতে পারিনি। হায়! আমরা উৎসবের সব আনন্দের ভেতরেও যে মৃত্যুর দূত আমাদেরই কোন একটি ফাঁকফোকর দিয়ে প্রবেশ করে আমাদের কোন জানের টুকরাকে নিয়ে যেতে পারে, তা আমরা উচ্চশিক্ষিতের দল ওদেরই দেয়া সব সম্মান গলায় ধারণ করে মহাসম্মানিতজন হয়ে বিশাল সমাবেশকে তুচ্ছ, অদৃশ্য, অকিঞ্চিৎকর জ্ঞান করে ভুলে যাই! সবাইকে মানবিক দায়িত্ব, যে যেখানে থাকুন, পালন করতে এগিয়ে আসতে আহ্বান করব। এ ছাড়া একজন সন্তানের মৃত্যুর পর, আরেকজন সন্তানের যেন মৃত্যু না হয়- এটুকুই মাত্র চাইতে পারি আমরা, যা অসম্ভব, অকিঞ্চিৎকর এবং ক্ষুদ্র চাওয়া।

এবার কয়লা বিদ্যুতের কথায় আসি। এ কথা তো এখন কাজের গৃহকর্মী, দোকানদার, ফেরিওয়ালা, রিক্সাওয়ালাসহ সবার জানা হয়ে গেছে যে, কয়লা পোড়ানো বন্ধ করা না হলে, সমুদ্রের পানি বরফ গলা পানির স্রোতে এতটা উঁচু হবে যে, বাংলাদেশের বেশ বড় একটি অংশ তলিয়ে যাবে। ওই স্থানের কয়েক কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে। জলবায়ুর উষ্ণতা প্রধানত ঘটে কার্বণ নিঃসরণের ফলে যার প্রধান গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হলে পৃথিবীর প্রাণীকুল ধ্বংসের মুখোমুখি হয়ে উঠবে। যেখানে বাংলাদেশ, যে দেশটি, এর অধিবাসী মানুষ, পশু, পাখি, বৃক্ষ, ফসল, খাদ্য, মাটি, বাতাস, পানি সবকিছু ধ্বংসের প্রান্তে উপস্থিত হবে। সেখানে আমরা সর্বনাশের ষোলোকলা পূর্ণ হতে দিয়ে হতাশ হয়ে গা-হাত-পা ছেড়ে দিয়ে বসে আছি কেন, এটা বোধগম্য হচ্ছে না! সম্প্রতি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত গবেষণায় উঠে এসেছে, বাংলাদেশ একটি টাইম বোমার ওপর বসে আছে। এরা ইঙ্গিত করেছে, বাংলাদেশে ত্রিশটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরি করার কারণে ঘটনাটি ঘটবে। এ কথা জানলে কতটা ক্ষোভ-দুঃখ-রাগ হতে পারে, তা নিশ্চয় সরকারপ্রধান বুঝতে পারেন। যখন আমরা জানি যে, ভারত ও চীন তাদের দেশের বিদ্যুত উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে, অথচ সেই কয়লা রফতানি করে আমাদের দেশে কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র, তাও আবার ত্রিশটি, তৈরি করছে। এর চাইতে বিব্রতকর আর কি হতে পারে? চীনের আমাদের মহেশখালীতে গভীর সমুদ্র বন্দর করার কথা ছিল। কিন্তু যখন চীন দেখল মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দরটি তারা পেয়ে যাচ্ছে, তখন তারা আকিয়াবের কাছেই আরেকটি গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করার কাজ করছে তাদের নিজস্ব রফতানি-আমদানি বৃদ্ধির স্বার্থে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশিরভাগ নিকৃষ্টমানের চীনা পণ্য কিনে দেশে বাজারজাত করে। সুতরাং সেই স্থল পথটির মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করছে চীন। অথচ আমাদের একটি গভীর সমুদ্র বন্দর দেশকে সিঙ্গাপুরের সমান উন্নত করতে পারে সে জন্য, অনেকের মতে, আমাদের গভীর সমুদ্র বন্দরটি জাপানের সহায়তায় অথবা নিজেদের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত করার ফল সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক হবে। এটি যেন জলবায়ুর ক্ষতি সামলে দিতে পারে, এমনভাবে তৈরি করতে হবে। তা ছাড়া পর্যায়ক্রমে কয়লা আমদানি, কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ করে দিতে হবে। বিদ্যুত উপদেষ্টা তৌফিক ভাই নিশ্চয় এ বিষয়টি সম্বন্ধে ওয়াকিফহাল। তিনিইবা কেন ত্রিশটি কয়লা বিদ্যুত প্রকল্প ভারত ও চীনের কূটনীতি বুঝেও গ্রহণ করলেন। সেগুলো দেশের জন্য, পৃথিবীর জন্য প্রাণঘাতী হবে, তা কি তিনি বুঝতে পারলেন না। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হয়ত অদূর ভবিষ্যতে সুন্দরবন, সেন্ট মার্টিনের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে। তাই বলে আমরা সব কুফল জেনেশুনে অন্য দেশ থেকে কয়লা আমদানি করব কেন? কেনইবা কয়লা বিদ্যুত প্রকল্প গ্রহণ করব, যে কাজটি ওরা বন্ধ করে দিতে চাইছে। এখন রোহিঙ্গা প্রশ্নে ভারত, চীন যা করেছে, তার কোন সুফল দৃশ্যমান হয়নি। আমরা এখনও তিস্তার পানি পাইনি। সে ক্ষেত্রে আর অপেক্ষা না করে এগারো লাখ রোহিঙ্গাকে বিভিন্ন দেশে বিতরণ করে গ্রহণ করার ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে। ফিলিপিন্স ও ইন্দোনেশিয়ায় অসংখ্য দ্বীপ আছেÑ সেসবের কয়েকটিতে, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ায় এদের প্রত্যাবাসন হতে পারে। আমাদের ভাল আমাদেরই করতে হবে, আমাদেরই বুঝতে হবে।

এবার ভিসি প্রসঙ্গে আসা যাক। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ’৭৩-এর বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রণীত আইন মেনে নির্বাচনে সর্বগরিষ্ঠ সংখ্যক ভোটপ্রাপ্ত শিক্ষককে ভিসি হিসেবে নিয়োগদানের ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। এটা ঠিক, ’৭৫-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সংবিধানকে পরাজিত করে যুদ্ধাপরাধীপন্থী খুনী, জামায়াত-শিবির-বিএনপি দেশকে পাকিস্তানী ধারায় পরিচালিত করতে থাকা দীর্ঘ একুশ বছর। তারপর আবার পাঁচ বছরের দুঃশাসনের ফলে দেশের শত্রুরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ক্ষমতা কুক্ষিগত করলে অবস্থা এমন হয় যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষার জন্য দেশ যেমন, তেমনি প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দুই দলে বিভক্ত হয়ে যেতে পরে। এর ফলে, সিনেট নির্বাচন, ডাকসু নির্বাচনসহ যে কোন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধপন্থী বনাম যুদ্ধাপরাধীপন্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে ওঠে। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে অনির্বাচিত শিক্ষককে সরকার কর্তৃক ভিসি নিযুক্ত করা হয়! এর ফলে ভিসি, এখন যেমন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধে চলছে একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্দোলন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হচ্ছে! এর মধ্যে গণমাধ্যম সূত্রে আমরা জেনেছি যে- সর্বপ্রথম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাদের ভিসির কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪০০ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পের পার্সেন্টেজ দাবি করার অভিযোগ স্বয়ং ভিসি মহোদয় প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোনে অবহিত করেছিলেন। তাছাড়া একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে ছাত্রলীগ নেতৃত্বের চাঁদা দাবির তথ্যও প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হলে প্রধানমন্ত্রী চরম ক্ষুব্ধ হয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বকে বহিষ্কার ও প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেন! এর মধ্যে আরও জানা যাচ্ছে যে, পদ্মা সেতুর মতো জাহাঙ্গীরনগরের উন্নয়ন প্রকল্পের ১৪০০ কোটি টাকা এখনও ছাড় হয়নি!

তাহলে দেখা যাচ্ছে, ওই টাকা থেকে দুর্নীতি এখনও সংঘটিত হয়নি- অর্থ ছাড়ের আগে অর্থ লোপাট তো সম্ভব নয়। এখন প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবেই বলেছেন, ভিসি যিনি একবার নির্বাচিত হয়ে চার বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছিলেন এবং উচ্চমানের ডিগ্রীধারী, তাঁর বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে ধরা পড়ে, তাহলে তাঁর শাস্তি হবে। তবে অভিযোগকারীদের দুর্নীতির প্রমাণ দাখিল করতে হবে। এটা সঠিক সিদ্ধান্ত। সরকার প্রধানকে অনুরোধ করব- সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে ভিসি নিয়োগ করুন। নতুবা গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের নির্দেশে অনির্বাচিত ভিসির পক্ষে নিয়োগটি সম্মানজনক হয় না। একজন শিক্ষককেও অসম্মানের পাত্র হতে হবে কেন? ভিসি নিয়োগ নিয়মের মাধ্যমে করতে হবে। এখানে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি প্রশ্ন করতে চাই- কেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ বছরে ১২ ভিসি নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েও আন্দোলনের মাধ্যমে বহিষ্কৃত হয়েছিল? তারা কি সবাই দুর্নীতি করেছিল? প্রফেসর আনোয়ার হোসেনসহ অনেক সৎ, দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষককে কেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে হয়েছিল? এসবের উত্তর সৎ, দুর্নীতিমুক্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যারা চান, তাদের অবশ্যই অনুসন্ধান করে বের করতে হবে। কেননা জনগণের অর্থে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়টি বার বার কোন একটি গোষ্ঠীর অসৎ উদ্দেশ্যের কাছে পরাজিত হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়ুক, এটি কোন মতেই কাম্য নয়।

লেখক : শিক্ষাবিদ