০৬ ডিসেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারে বাজার মনিটরিং হবে

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারে বাজার মনিটরিং হবে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের বাজার তদারকি করতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার বাজার মনিটরিং টিম তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। গত দু’মাস ধরে দেশে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল। নিত্যপণ্যের বাজারে সরবরাহ থাকলেও দাম কমছে না পেঁয়াজের। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি দেশী পেঁয়াজ জাত ও মানভেদে ২১০-২২০ এবং আমদানিকৃতটি ১৪০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় বাজার সামাল দিতে রাষ্ট্রীয় বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টিসিবি ট্রাকসেলে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪৫ টাকায় বিক্রি কার্যক্রম শুরু করে। টিসিবির পেঁয়াজ পেতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার তদারকিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৪টি মনিটরিং টিম রয়েছে। বন্ধের দিন ব্যতিত প্রতিদিন ২টি মনিটরিং টিম বাজার তদারকি করে থাকে। কিন্তু পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন বন্ধের দিনগুলোতে বাজার তদারকি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে-নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার নিয়মিতভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। এই টিম পণ্যসামগ্রীর মূল্য, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। নিত্য ও ভোগ্যপণ্যের বাজারের অস্বাভাবিক অবস্থা পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হলে সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বর্তমানে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ায় মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে মনিটরিং টিম সমূহের কার্যক্রমের জন্য ২৯-৩০ নবেম্বর এবং ৬ ও ৭ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং সেল খোলা রাখা প্রয়োজন।

জানা গেছে, পেঁয়াজ, চাল, ডাল ও শাক-সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম এখন বাড়তির দিকে। এছাড়া মিসর, তুরস্ক, মিয়ানমারসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলেও দাম কমছে না। ২৮ টাকার মোটা চাল ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। শীতের শাকসবজির দাম বেড়ে গেছে। দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ীদের কারাসাজি রয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। বিশেষ করে সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় অসাধু ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ততা পেয়েছে এনবিআরের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। ইতোমধ্যে সংস্থাটির পক্ষ থেকে ৪৭ ব্যবসায়ীকে ডাকা হয়। এছাড়া নজরদারিতে রয়েছে ৩৪১টি প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বাণিজ্য সচিব সম্প্রতি জনকণ্ঠকে বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সরকারের জন্য স্বস্তির বিষয় নয়। এ কারণে বাজার মনিটরিং টিমের কার্যক্রম বাড়ানো হবে। কারসাজি করে দাম বাড়ালে জেল-জরিমানাসহ সব ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে ব্যবসায়ীদের।

নির্বাচিত সংবাদ