২৯ জানুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ধুলাদূষণ কমাতে ডিএসসিসির ক্র্যাশ প্রোগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানী ঢাকা দিন দিন দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হচ্ছে। কোন মৌসুমেই নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে রাস্তাঘাটে চলাচল করতে পারে না। বর্ষাকালে রাজধানীবাসীকে ভুগতে হয় জলাবদ্ধতায় আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলোর দুর্ভোগ। উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে ঢাকা মহানগরীতে ধুলাদূষণের প্রকোপ অত্যন্ত বেড়ে যায়। এবার শুষ্ক মৌসুম আসার আগেই রাজধানীতে শুরু হয়েছে ধুলোর বিপদ। রাজধানীতে যে হারে উন্নয়ন কাজের নামে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে তাতে দূষণের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

এ অবস্থায় রাজধানীবাসীকে ধুলার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। মূলত ধুলাদূষণকারীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হবে। অর্থাৎ যেসব স্থানে উন্নয়নের কাজ চলছে, যেসব স্থানে খোঁড়াখুঁড়ির মাধ্যমে কেউ যদি অযথা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ময়লা, বায়ুদূষণের পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখেন, তাহলে সেসব প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধুলাদূষণ নিয়ন্ত্রণে আনতে খুব শীঘ্রই এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান শুরু করবে সংস্থাটি। এ ছাড়া পরিবেশ দূষণ মোকাবেলার অংশ হিসেবে ধুলাদূষণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নগরীতে পানি ছিটানোর ‘স্পেশাল ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ সম্প্রতি চালু করেছে ডিএসসিসি। এ প্রোগ্রামে ৯টি গাড়ি দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন এলাকায় পানি ছেটানো হবে। এ কার্যক্রমের আওতায় কাকড়াইল হতে মৎস্যভবন, গুলিস্তান রোড পর্যন্ত প্রতিদিন গাড়ি দিয়ে দুটি ট্রিপে পানি ছেটানো হবে। এ ছাড়া তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, পলাশী, শাহবাগ, কাটাবন, সাতমসজিদ রোড, হাজারীবাগ, জিগাতলা, সাইন্সল্যাব, নীলক্ষেত, হাতিরপুল, মগবাজার, কাকরাইল, শান্তিনগরসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রায় সব এলাকায় সারাদিনে দু-বার পানি ছিটানো হবে। এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ধুলাদূষণ নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব পালন করে পরিবেশ অধিদফতর। কিন্তু নাগরিকদের কথা বিবেচনা করে আমরা একটি বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করেছি। ডিএসসিসির যেসব প্রাইমারি রোড আছে সেগুলোতে আমরা সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এবং বিকেলে ২টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দুই বেলা পানি ছিটিয়ে ধুলা এবং বায়ুদূষণ রোধ করার চেষ্টা করব। অহেতুক ও ইচ্ছাকৃত খোঁড়াখুঁড়ি, ধুলাদূষণের পরিবেশের ভোগান্তি এড়াতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

নির্বাচিত সংবাদ