২৬ জানুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভ্যাকসিন নিতে রাজি হচ্ছেন না খালেদা জিয়া ॥ অ্যাটর্নি জেনারেল

ভ্যাকসিন নিতে রাজি হচ্ছেন না খালেদা জিয়া ॥ অ্যাটর্নি জেনারেল

অনলাইন রিপোর্টার ॥ কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অনেকটা স্থিতিশীল উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ইবনে সিনা হাসপাতালে খালেদা জিয়ার রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট দেখে তাকে ভ্যাকসিন দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তিনি ভ্যাকসিন নিতে রাজি হচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া প্রতিবেদন তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এ আইন কর্মকর্তা বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অনেকটা স্থিতিশীল। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে। তিনি ৫ মিলিগ্রামের বেশি ওষুধ নিতে চান না।

এর আগে শুনানিতে এই প্রতিবেদন ভুয়া বলে দাবি করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর বিএসএমএমইউয়ের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। এরপর ১০টা ২০ মিনিট থেকে শুনানি শুরু হয়। এর আগে আদালত প্রতিবেদনটি দেখেন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘এই আদালত দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এই আদালতের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা মানবিক কারণে খালেদা জিয়ার জামিন চাইছি। খালেদা জিয়া আদালতে গেলেন হাঁটতে-হাঁটতে। একজন সুস্থ মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমরা দেখলাম, তার অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে।’

আদালত তখন জয়নুল আবেদীনকে মেডিকেল প্রতিবেদন পড়ে শোনাতে বলেন। জয়নুল আবেদীন আদালতকে বলেন, ‘আমি ডাক্তার নই। তবু যেটুকু বুঝি, এই মেডিকেল প্রতিবেদন বলছে, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা দরকার। মানবিক কারণে আমরা খালেদা জিয়ার জামিন চাচ্ছি। তার অবস্থা এমন যে তিনি পঙ্গু অবস্থায় চলে গেছেন। হয়তো ছয় মাস পর তার অবস্থা আরও খারাপ হবে। আর কোথাও গিয়ে লাভ নেই। এজন্য আমরা বারবারই আদালতের কাছে আসছি। বলছি, মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হোক।’

খালেদার আরেক আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন শুনানিতে বলেন, ‘আমাদের দেশে রাজনীতি ও জেলখানা পাশাপাশি। রাজনীতি করলে জেলখানায় যেতে হবে। খালেদার সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে জামিন দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

নির্বাচিত সংবাদ