১৯ জানুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

হৃতিকের ৪৬তম জন্মদিনে সুজান খানের স্পেশাল বার্থডে উইশ

হৃতিকের ৪৬তম জন্মদিনে সুজান খানের স্পেশাল বার্থডে উইশ

অনলাইন ডেস্ক ॥ ১৪ বছরের বিবাহিত জীবনের বিচ্ছেদ ঘটেছে বছর পাঁচেক আগে। কিন্তু একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়া থেকে দুই ছেলেকে নিয়ে কোয়ালিটি টাইম...হৃতিক-সুজানের পোস্ট ডিভোর্স লাইফ যেন বিচ্ছেদের সংজ্ঞাটাই বদলে দিয়েছিল রাতারাতি। নেটিজেন থেকে ইন্ডাস্ট্রির সবাই একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছিলেন ‘লাভ ইজ স্টিল দেয়ার’।

আজ শুক্রবার প্রাক্তন স্বামীর ৪৬তম জন্মদিনে সুজান খানের স্পেশাল বার্থডে উইশ কি ভেঙে যাওয়া সম্পর্ককে আবার নতুন মোড়কে দেখার ইঙ্গিত, প্রশ্ন জাগছে অনুরাগীদের মধ্যে। কিন্তু কী এমন লিখেছেন সুজান?

ছেলে হৃদান এবং রেহানের সঙ্গে হৃতিকের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে সুজান লেখেন, “হ্যাপিয়েস্ট বার্থডে হৃ। আমার দেখা সবথেকে শ্রেষ্ঠ পুরুষ তুমি।” শুধু তাই নয়, প্রাক্তন স্বামীকে দুটি অ্যাওয়ার্ডও দিয়েছেন সুজান। হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন, ‘বেস্ট ড্যাডি অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘বেস্ট ফিলোসফার’।

সুজানের ওই পোস্টে ফ্যানেরা একাধারে উচ্ছ্বসিত এবং দুঃখিতও। একজন তো লিখেও ফেলেছেন, “ভালবাসা যখন রয়েছেই, তাহলে আলাদা কেন রয়েছ তোমরা?” আর একজনের বক্তব্য, “তোমাদের দু’জনকে আবার একসঙ্গে দেখতে চাই প্লিজ।”

২০১৪-তে হৃতিক আর সুজান যখন বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন, অবাক হয়েছিলেন সিনে ইন্ডাস্ট্রির বহু মানুষ। দম্পতি হওয়ার অনেক আগে থেকেইতাঁরা ছিলেন বেস্ট ফ্রেন্ড। ইংরাজিতে যাকে বলে ‘চাইল্ডহুড সুইটহার্ট’। কেন যে তাঁদের বিচ্ছেদ হল তা দু’জনের কেউই খোলসা করেননি কখনও। গুঞ্জন উঠেছিল কঙ্গনার সঙ্গে হৃতিকের ঘনিষ্ঠতাই নাকি ওঁদের সম্পর্কে চিড় ধরিয়েছিল। ওদিকে আবার সুজানের সঙ্গেও জড়িয়েছিল অর্জুন রামপালের নাম।

বছর খানেক আগে সুজানের বাবা সঞ্জয় খান মেয়ে জামাইয়ের বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে বলেছিলেন,“বিচ্ছেদে মন খারাপ হয়ে যায়। আমি আমার মেয়েকে আজ পর্যন্ত কোনও দিন বিচ্ছেদের কারণ জিজ্ঞেস করিনি। কোনও কারণ নিশ্চয়ই রয়েছে। কিন্তু ভাল ব্যাপার হল, ওরা এখনও ভাল বন্ধু। ফলে বিচ্ছেদের কুপ্রভাব ওদের সন্তানদের ওপর পড়বে না। লোকে যখন বলে, হৃতিক আমার জামাই আর নয়। তখন আমি বলি ও আমার নাতিদের বাবা। সেই সম্পর্ক কখনও মুছে যাবে না। আমার মনে হয় ওরা আবার ফিরবে একসঙ্গে…।”

ওঁরা ফিরবেন কী না তা তো সময়ই বলবে। তবে কিছুদিন আগেও দুই ছেলেকে নিয়ে ছুটি কাটিয়ে এসেছেন হৃতিক-সুজান। ছিলেন হৃতিকের পরিবারের লোকেরাও। সে সব ছবি সুজান পোস্টও করেছিলেন তাঁর ইনস্টা প্রোফাইল থেকে। কাপল গোল তো হামেশাই দেখা যায়, ডিভোর্সড কাপল গোলের সংজ্ঞাটা বোধহয় ওঁরাই প্রথম তৈরি করলেন।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা