১৯ জানুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নওগাঁর আত্রাই নদী দখল করে অর্ধশতাধিক মৎস্য ঘের স্থাপন

নওগাঁর আত্রাই নদী দখল করে অর্ধশতাধিক মৎস্য ঘের স্থাপন

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ নওগাঁর মান্দায় আত্রাই নদী অবৈধভাবে দখল করে অর্ধশতাধিক মৎস্য ঘের তৈরি করা হয়েছে। মৎস্য ঘেরের নামে গাছের ডালপালার কাঠা নামিয়ে ও বাঁশের বেড়া দিয়ে নদীতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে কিছু অসাধু ব্যক্তি। সম্প্রতি উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় এসব অবৈধ ঘের উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। আইন-শৃঙ্খলা সভার পর এসব ঘের থেকে গাছের ডালপালা ও বাঁশের বেড়া সরিয়ে নেয়ার জন্য নদী এলাকায় মাইকিং করে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। এরপরও অবৈধ ঘেরগুলো সরিয়ে নেয়া হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে এসব ঘেরে জাল নামিয়ে মাছ শিকার করছেন দখলদাররা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে মাছ শিকারে নেমেছেন দখলদাররা। যেসব ঘেরে জাল নামানো হয়েছে সেগুলোতে নিয়মিত যাতায়াত করছেন মৎস্য দপ্তরের লোকজন। মৎস্য দপ্তরের এহেন কর্মকান্ডে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভার একাধিক সদস্য জানান, নদী দখলমুক্ত করতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান আইন-শৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নদী দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে মৎস্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়। এরপরও মৎস্য কর্মকর্তা কেন এবিষয়ে পদক্ষেপ নেননি এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইন-শৃঙ্খলা সভার এসব সদস্যরা।

এবিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান ম্যানেজ হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, যেসব ঘেরে জাল নামানো হয়েছে সেগুলোতে গিয়ে মাছ মারতে নিষেধ করা হচ্ছে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি-না জানতে চাইলে পাশ কাটিয়ে যান তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে এব্যাপারে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে মান্দার ইউএনও আব্দুল হালিম জনকন্ঠকে বলেন, আমি না থাকায় ক’দিন কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে ইতোমধ্যেই আইনী ব্যবস্থা নেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।