১৯ জানুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ রাজশাহীর বাঘায় স্কুলছাত্রীকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে কয়েকজন হামলাকারী। এ সময় ওই যুবকের ভাগ্নে ও ভগ্নিপতি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের ভোলার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমুল হোসেন (২৫) সুলতানপুর গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। খবর বিডিনিউজের।

আহতরা হলেন নাজমুলের ভাগ্নে তারিকুল ইসলাম ও ভগ্নিপতি (তারিকুলের বাবা) শাহজাহান আলী মাস্টার। তাদের বাড়িও উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে। তারিকুলকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শাহজাহান মাস্টারকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, শাহজাহান মাস্টার ভোলার মোড়ে বসেছিলেন। এ সময় পাশের উপজেলা নাটোরের লালপুরের মনিহারপুর গ্রামের ১০/১৫ জন যুবক ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে শাহাজান মাস্টারের ওপর হামলা করে। এ খবর পেয়ে তার শ্যালক নাজমুল হোসেন ও ছেলে তারিকুল ইসলাম সেখানে যান। তখন ওই যুবকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তিনজনকে জখম করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তারিকুল ও নাজমুলকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি নজরুল বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে লালপুর থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। খুনীদের ধরতে দুই থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালাবে বলে জানান তিনি। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কামরুন নাহার বলেন, হাসপাতালের আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আহত তারিকুল ইসলাম বলেন, তার বোনকে বিভিন্ন সময়ে উত্ত্যক্ত করত লালপুরের মনিপুর গ্রামের আরজেদ আলীর ছেলে সুমন। মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিয়ে সুমনের বাবার কাছে অভিযোগ করে তার বাবা। এর জের ধরে সন্ধ্যায় সুমন দলবল নিয়ে গিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে। মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে সেখানে গেলে তারা আমার মামা নাজমুলকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা আমাকে ও আমার বাবাকে কুপিয়ে জখম করে চলে যায়।