২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিদেশীরা শেয়ার বিক্রি পরিবর্তে কিনতে চায়

বিদেশীরা শেয়ার বিক্রি পরিবর্তে কিনতে চায়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় বিদেশী পোর্টফলিওতে শেয়ার বিক্রির পরিমাণ বাড়লেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে বিদেশীরা শেয়ার বিক্রি করছেন না। তাদের দাবি, বিদেশীরা বাংলাদেশের শেয়ারবাজার থেকে নিজেদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন, এই জাতীয় তথ্য সঠিক না। বরং বাজারের বর্তমান অবস্থায় সামনে বিদেশীদের বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে স্টেকহোল্ডাররা এমনটি জানিয়েছেন। বিএসইসির কমিশনার স্বপন কুমার বালার সভাপতিত্বে অংশ নেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ), ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন (ডিবিএ) ও শীর্ষ ব্রোকারদের প্রতিনিধি দল।

বিএমবিএ’র সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ মতিন বলেন, শেয়ারবাজারের চলমান অবস্থা নিয়ে কমিশন জরুির বৈঠক ডেকেছিল। তারা আমাদের কাছে বিদেশীরা বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে এমন খবরের বিষয়ে জানতে চান। এ খবর সঠিক নয় বলে কমিশনকে অবহিত করেছেন বিদেশীদের বড় পোর্টফোলিও মেইনটেইন করা ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ, আইডিএলসি সিকিউরিটিজ, সিটি ব্রোকারেজসহ অন্যান্য হাউজের প্রতিনিধিরা। একইসঙ্গে বর্তমান শেয়ারের নিম্ন দরের কারনে সামনে বিদেশীদের বিনিয়োগ বাড়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন তারা।

রিয়াদ মতিন বলেন, লেনদেনের শুরুতে পেনিক সেল বেশি হয় বলে কমিশন জানিয়েছেন। তাই এই পেনিক সেল থামানোর জন্য সবাইকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে, তা কিভাবে ফেরানো যায়, সে বিষয়ে কাজ করার জন্য বলেছেন। আর বাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান করেছে কমিশন।

বিএমবিএ’র সাধারন সম্পাদক বলেন, সরকারি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে অব্যবহৃত ফান্ড ফেরত নেওয়া নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সৃষ্ট আতঙ্কের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানি থেকে ফেরত নেওয়া জটিল এবং প্রায় অসম্ভব। কারণ ওই ফান্ডে সরকারের পাশাপাশি অনেক সাধারন বিনিয়োগকারীর মালিকানা রয়েছে। তাই চাইলেই ওই ফান্ড নেওয়া সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে আগামি ২০ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট কমিটির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে আলোচনা করা হবে। এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসে।