২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিমানের অনিয়ম ঠেকাতে ১২ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সংসদে বিমান প্রতিমন্ত্রী

 বিমানের অনিয়ম ঠেকাতে ১২ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সংসদে বিমান প্রতিমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ বিমানের অনিয়ম ঠেকাতে ১২পদক্ষেপের কথা সংসদে তুলে ধরেছেন বেসরকারি বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি জানান, বাংলাদেশ বিমান ইতোমধ্যে সিট বুকিং পদ্ধতি বাতিল করেছে। ফলে টিকিট বিক্রি থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে। এছাড়া ইতোমধ্যে বিমানে নিয়োগ পদ্ধতিতেও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বিমানে অনিয়ম ঠেকাতে ১২ পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

গৃহীত পদক্ষেপগুলো হচ্ছে- টিকিট কেনার ক্ষেত্রে সিট বুকিং পদ্ধতি বাতিল, নিয়োগ পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আনয়ন, আরএফআইডি মেশিনের মাধ্যমে হাজিরা, ই-টিকেটিং পদ্ধতি, ল্যাগেজ হ্যান্ডেলিং ব্যবস্থার উন্নয়ন, পেনশন সহজীকরণ, হজ এ্যাপস চালু, ওয়েবসাইট এবং অনলাইনে টিকিট বুকিং, মোবাইল এ্যাপস চালু, ই-জিপি টেন্ডারিং পদ্ধতি চালু, সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট তালিকাভূক্তিকরণ ও ইঞ্জিন মেইনটেনেন্স পাওয়ার বাই আওয়ার।

বিমান প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ এবং টেলিটকের সহযোগিতায় আবেদন বাছাই করা হচ্ছে। এছাড়া শারীরিক ফিটনেস, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা এবং চূড়ান্ত নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যক্রম শেষ করা হচ্ছে। তিনি জানান, আরএফআইডি মেশিনে হাজিরা গ্রহণের মাধ্যমে বিমানের সব শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিতি ও প্রস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। ফেস আইডি মেশিনের মাধ্যমে প্রাপ্ত হাজিরা শতভাগ অনুসরণ করে ওয়াকল সিস্টেমে হাজিরা প্রেরণ করা হয়।

মাহবুব আলী আরও জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৭ সালের ৪ মার্চ থেকে দেশের অভ্যন্তরে ও বিদেশের সব অফিস থেকে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের জন্য ই-টিকিট ব্যবস্থা চালু করেছে। ২০১৩ সাল থেকে হজযাত্রীদের এবং ২০১৪ সাল থেকে অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের জন্য ই-টিকিট চালু করা হয়েছে। ই-টিকিট পদ্ধতিকে আরও কার্যকরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, যাত্রা শেষে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ব্যাগেজ পেতে আগে যাত্রীদের সময় লাগত আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। ব্যাগেজ এরিয়া ইউনিটির মাধ্যমে কেপিআই নির্ধারণের ফলে প্রথম ব্যাগেজ ১৮ মিনিট ও শেষ লাগেজ ৬০ মিনিটে দেয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি কর্মী উৎপাদনশীলতা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে উক্ত সময়ের মধ্যে লাগেজ সরবরাহের হার ৯৮ শতাংশ।