২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এ্যাডিলেডের ফাইনালে এ্যাশলে বার্টি

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ একদিন পরই পর্দা উঠবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের। তার আগে এ্যাডিলেড ইন্টারন্যাশনাল টেনিস টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন এ্যাশলে বার্টি। বর্তমান টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের নাম্বার ওয়ান তারকা সেমিফাইনালের ম্যাচে শুক্রবার ৩-৬, ৬-১ এবং ৭-৬ (৭/৫) সেটে পরাজিত করেন ড্যানিয়েল কোলিন্সকে। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে আজ আবার কোর্টে নামছেন এ্যাশলে বার্টি। যেখানে অস্ট্রেলিয়ান তারকার প্রতিপক্ষ ডায়ানা ইয়াসট্রেমস্কা। ইউক্রেনের ১৯ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান খেলোয়াড় শেষ চারের ম্যাচে ৬-৪ এবং ৭-৬ (৭/৪) সেটে পরাজিত করেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বেলারুশের এ্যারিনা সাবালেঙ্কাকে। এই ম্যাচে যে জিতবে নিঃসন্দেহে সে মেলবোর্নে ফেবারিটের তকমাটা গায়ে মেখেই কোর্টে নামবে।

তবে বর্তমান টেনিসের শীর্ষ তারকা হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সবার নজরে থাকবেন এ্যাশলে বার্টি। মেলবোর্নে স্বাগতিক সমর্থকদের শক্তিশালী সমর্থনের কারণে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সুস্পষ্ট ফেবারিট হিসেবেই কোর্টে নামবেন এই মুহূর্তে বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় এ্যাশলে বার্টি। ২৩ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান একবার টেনিস ছেড়ে দিয়ে পেশাদার ক্রিকেটে মনোনিবেশ করেছিলেন। কিন্তু আবারও কোর্টে ফিরে এসে নিজেকে দারুণভাবে প্রমাণ করেন। গত বছর ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম ফ্রেঞ্চ ওপেনেরও শিরোপা জয় করেন। জুনে তিনি ডব্লিউটিএ র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উন্নীত হন এবং তারপর থেকে সেই স্থানই ধরে রেখেছেন। বছরের সর্বশেষ টুর্নামেন্টে ডব্লিউটিএ ফাইনালেও তিনি শিরোপা জিতেছেন। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাছাই খেলোয়াড় জেনিফার ব্রাডির কাছে ব্রিসবেনে বছরের প্রথম ম্যাচেই পরাজিত হয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাস হারিয়েছিলেন। কিন্তু এ্যাডিলেডেই স্বরূপে ফিরে হারানো আত্মবিশ্বাসটা ফিরে পেয়েছেন এ্যাশলে বার্টি।

এক নম্বর খেলোয়াড় ছাড়াও মেলবোর্নে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন সেরেনা উইলিয়ামসও। সেরেনার এই শিরোপা জয়ের মিশনে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাওমি ওসাকার নাম এখানে আলোচনায় উঠে এসেছে। তাদের নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের উঠতি তারকারাই সেরেনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আসতে পারেন। ২২ বছর বয়সী এই জাপানী তারকা ২০১৯ সালে ক্যারিয়ারের বেশ চড়াই উৎরাই পার করেছেন। গত বছর এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মাধ্যমে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন ওসাকা। তখন মনে হয়েছিল নারীদের বিভাগে তার রাজত্ব শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু তারপর থেকে আর কোন সাফল্য পাননি তিনি। উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায়ের পর ইউএস ওপেনেও কিছু করতে পারেননি। বাবা লিওনার্দ ফ্র্যাঙ্কোয়িসকে কোচ হিসেবে পাবার পর জাপান ও চায়নায় পরপর দুটি শিরোপা জিতে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছিলেন। গত ডিসেম্বরে তিনি বেলজিয়ান উইম ফিসেত্তেকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেন। এক বছরের মধ্যে ফিসেত্তে তার চতুর্থ কোচ।

এদিকে পিঠের ইনজুরি কাটিয়ে নিজেকে ফিট প্রমাণে কোর্টে নামবেন সিমোনা হ্যালেপ। সাবেক এই শীর্ষ তারকা ও দুইবারের গ্র্যান্ডসø্যাম চ্যাম্পিয়ন গত বছর উইম্বলডনের ফাইনালে সেরেনাকে ৬-২, ৬-২ গেমে পরাজিত করে শিরোপা জিতেছিলেন। কিন্তু পিঠের ইনজুরির কারণে বছরের শেষটা মোটেই ভাল যায়নি হ্যালেপের। এর আগেও এই একই ইনজুরির কারণে তার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ডিসেম্বরে তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো ডব্লিউটিএ ফ্যান ফেবারিট হিসেবে নির্বাচিত হন।

নির্বাচিত সংবাদ