২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দুদকের মামলায় রূপন ৫ দিনের রিমান্ডে

দুদকের মামলায় রূপন ৫ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন রিপোর্টার ॥ জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ক্যাসিনো-কাণ্ডের হোতা গেন্ডারিয়ার রূপন ভূঁইয়ার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রবিবার তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করে মামলার শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করা হয়। অপরদিকে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক নেয়ামুল আহসান গাজী। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস শোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এছাড়াও ক্যাসিনো-কাণ্ডের হোতা গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

এর আগে ১৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর থানার অর্থপাচার মামলায় রূপনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে সিআইডি। অন্যদিকে গেন্ডারিয়া থানার অর্থপাচার মামলায় এনামুল ও মোস্তফার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী আসামি এনামুল ও রূপনের চার দিন এবং মোস্তফার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে তাদের ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেরানীগঞ্জে মোস্তফার বাড়িতে থেকে বেনামি পাসপোর্ট তৈরি করে ভারত হয়ে নেপাল যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন এনামুল ও রূপন।

দুইজনকে গ্রেফতারের পর সিআইডি জানায়, দেশে ক্যাসিনো কারবার চালুর পেছনের হোতা তারা দুই ভাই। নেপালিদের মাধ্যমে দুই ভাই বিদেশ থেকে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম নিয়ে আসেন। তারপর তা ছড়িয়ে দেয়া হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এ কারবারে দুই ভাই ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ বনে যান।

এ দুজনের মোট ২২টি জমি ও বাড়ি রয়েছে, যার অধিকাংশই পুরান ঢাকাকেন্দ্রিক। এছাড়া সারাদেশে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ৯১টি অ্যাকাউন্টে তাদের মোট ১৯ কোটি টাকা জমা রয়েছে। ব্যক্তিগত পাঁচটি গাড়িও রয়েছে দুই ভাইয়ের। সেপ্টেম্বরে দুজনের বাড়িতে অভিযানের সময় পাঁচ কোটি পাঁচ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছিল। জানা যায়, সেগুলো ব্ল্যাকমানি (কালো টাকা) ছিল। দেশের বাইরে পাচার করতে তারা সেগুলো রেখেছিলেন।