২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা উপহার দেবো : ইশরাক

নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা উপহার দেবো : ইশরাক

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রবিবার দুপুরে আজিমপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা উপহার দেবো। জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর ১২টার দিকে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন ইশরাক হোসেন। পরে আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ, আজিমপুর কবরস্থান হয়ে লালবাগের জগন্নাথ ঘোষ রোডে গিয়ে জনসংযোগ করেন। এ সময় লালবাগের একটি বহুতল ভবনের ওপর থেকে স্থানীয় মহিলাদলের নেতাকর্মীরা ফুল ছিটিয়ে অভিনন্দন জানান ইশরাক হোসেনকে। জবাবে তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা হাত নেড়ে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেন বিভিন্ন এলাকায় তার পোস্টার ছিড়ে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, পোস্টার ছিঁড়ে বিএনপি তথা ধানের শীষকে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলা যাবে না। পোস্টার ছেঁড়া ছোটলোকি কাজ। তবে এসব করে জনগণকে আর রুখা যাবে না। ভোট ন্যুনতম সুষ্ঠু হলেও বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

ইশরাক বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। এই নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের যা যা করণীয় তাই করবো। তবে দক্ষিণ সিটিতে বিএনপির মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টার লাগাতে বাধা দেয়া ও পোস্টার ছেঁড়া হচ্ছে প্রতিদিন। নির্বাচন কমিশন ও থানা-পুলিশকে অবহিত করা হলেও কোনও প্রতিকার মিলছে না।

ইশরাক বলেন, বিরোধী দলের প্রার্থীর পোস্টার ছেঁড়া ও তাদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা সৃষ্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করছেন। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকে বারবার অবহিত করলেও তারা এর কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। আশা করবো একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়া ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন এসব বিষয়ে খুব দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে। জনগণ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। তাই এবার বাধা দিয়ে কোন লাভ নেই।

ইশরাক বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে সিটির ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করবো। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের বিষযয়ে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার সময়ই নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল হিন্দু ধর্মালম্বীদের পূজার বিষয়টি বিবেচনা করা। তাহলে আজকে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিপাকে পড়তে হতো না। তারপরও দেরিতে হলেও কমিশন সরস্বতী পূজার বিষয়টি বিবেচনা করে ভোট পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই।

নির্বাচনী প্রচারকালে ইশরাক হোসেনের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, দলের কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরাফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার প্রমুখ।