২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাংলাদেশ বানাদো

  • মোস্তাফা জব্বার

ফেসবুকে কয়েকটি পাকিস্তানী টিভির বেশ কয়েকটি টক শো আমার টাইমলাইনে ঘুরঘুর করছে। এখনও খুঁজলে ক্লিকের নাগালেই এমন দুচারটা পাব। ভিডিওগুলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। ঢাকার একটি পত্রিকা সেই টকশোগুলোর একটির খবর ছেপেছে। গত বছরের শেষার্ধে ক্রিকেটার ইমরান খান মাত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ক্ষমতা গ্রহণের আগেই পাকিস্তানকে কল্যাণ রাষ্ট্র বানানোর ঘোষণা দেন। তখন রোল মডেল নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। ঠিক এ সময় পাকিস্তানের নাগরিক সমাজে তোলপাড় ফেলে দেয় ‘দ্য নেশন’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি কলাম। ‘দ্য বাংলাদেশ মডেল’ শিরোনামে এই লেখায় পাকিস্তানকে বাংলাদেশ হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। পাকিস্তানের একজন উন্নয়নকর্মীর এই প্রস্তাবনার সমর্থনে একে একে বক্তব্য-বিবৃতি আসে। গণমাধ্যমে প্রকাশ হতে থাকে কলাম। টেলিভিশনের টকশোতেও হয় আলোচনা। বলা হয়, পাকিস্তানের সামনে শেখার জন্য উদাহরণ হিসেবে যে কয়েকটি দেশ আছে, তার প্রধান হলো বাংলাদেশ। দাবি ওঠে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের মতো বানানোর। রক্তাক্ত যুদ্ধের মাধ্যমে যে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে গেল, জন্মের ৫০ বছরের আগেই সেই দেশকে এখন রোল মডেল ভাবছে পাকিস্তানের মানুষ। পাকিস্তানের টকশোর পরিচিত মুখ উন্নয়ন পরামর্শক জাইঘাম খান তার ‘দ্য বাংলাদেশ মডেল’ লেখায় লিখেছেন, বাংলাদেশ তো পাকিস্তানের মতোই একটা দেশ। ধর্মের প্রভাব এখানে খুবই গভীর। বেশিরভাগ মানুষ মুসলিম। তাদের বেশিরভাগ আবার সুন্নি। আমাদের চিন্তাভাবনা, জীবনাচরণে এত মিল। তাহলে পাকিস্তান কেন এখানে আটকে আছে, আর বাংলাদেশ এতদূর এগিয়ে গেছে। শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়- অর্থনীতি, মানবিক উন্নয়ন সূচক, সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি সবক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে জাইঘাম খান বলেন, বাংলাদেশই হওয়া উচিত পাকিস্তানের উন্নয়নের মডেল। আমাদের যদি শেখার কিছু থাকে, সেটা বাংলাদেশের কাছে। বিবিসির এক প্রতিবেদন বলছে, দ্য বাংলাদেশ মডেল প্রকাশের পর পুরো পাকিস্তানে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল বেশ ভাল। এ ধরনের কথাবার্তা হচ্ছিল, দেখ, দেখ, যে দেশটা একসময় আমাদের সঙ্গে ছিল, যাদের প্রতি আমরা এত অন্যায় করেছি, তারা এখন এতটাই ভাল করছে। এটা পাকিস্তানে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করে। লোকে এটা নিয়ে কথা বলেছে। নেতিবাচকভাবে নয় বাংলাদেশের প্রশংসা করে। কারণ বেশিরভাগ পাকিস্তানী বাংলাদেশের এই সাফল্যকে ভালভাবে দেখেন, বাংলাদেশের এই সাফল্যকে উদযাপন করেন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বাংলাদেশে যা ঘটেছিল, তার ব্যাপারে বেশির ভাগ পাকিস্তানী ছিল অন্ধকারে। সামরিক বাহিনী তখন যে একটা বিরাট অন্যায়, অন্যায্য এবং নিষ্ঠুর কাজ করেছিল, তা এখন সাধারণ পাকিস্তানীরাও স্বীকার করে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘ডন’-এ সে দেশের অন্যতম পরমাণু বিজ্ঞানী পারভেজ হুদভয় লেখেন, ’৫০ এবং ’৬০Ñ এর দশকে পাকিস্তানীরা বাঙালীদের হেয় করত শারীরিক গঠনের কারণে। তারা মনে করত, কেবল ধান ফলাতে আর মাছ ধরাতেই বাঙালীর কর্মদক্ষতা সীমাবদ্ধ। এমনকি, লম্বা, সুদর্শন এবং উর্দুভাষীদেরকেই তারা ‘ভাল মুসলিম’ বলে মনে করত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের গণআত্মসমর্পণের ফলে দ্বিজাতিতত্ত্ব রীতিমতো উবে যায়। পরাজিত পশ্চিম পাকিস্তানীরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল, বাংলাদেশ কখনই অর্থনৈতিকভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না এবং তারা ফিরে আসবে পাকিস্তানের মানচিত্রে। তবে পাকিস্তানীদেরই একটা অংশ মনে করতÑ ওই পরাজয় থেকে শিক্ষা নেবে পাকিস্তান। অন্তত সব নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি। বৈষম্য আরও প্রকট হয়েছে বলে মনে করেন দেশটির বিখ্যাত পরমাণু পদার্থবিদ হুদভয়। বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্য তুলে ধরে ডন-এর সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ কোন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান স্বর্গরাজ্য নয়। শূন্য অবস্থান থেকে নিজেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। এখন তো কোন কোন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক বাংলাদেশকে এশিয়ার পরবর্তী অর্থনৈতিক পরাশক্তি বলে মনে করেন।’

আমাদের টকশো অভিজ্ঞতা একইরকম, তবে দারুণ মজার। পাকিস্তানের টকশোর আলোচকগণ উর্দু ভাষায় যা বলছেন তার মর্মার্থ এরকম : প্রধানমন্ত্রী হবার পর ইমরান খান পাকিস্তানকে সুইজারল্যান্ড বানাবার প্রত্যয় ঘোষণা করেন। সেই সুবাদে বক্তারা দাবি করেন, পাকিস্তানকে দশ বছরে সুইজারল্যান্ড বানিয়ে দিতে হবে না, বাংলাদেশ বানিয়ে দিলেই হবে। বাংলাদেশের এক তরুণ ভিডিওটির নিচে মন্তব্য করেছে-তোরা ১০ বছরে আজকের বাংলাদেশ হবি। আমরা দশ বছরে যা হব সেটি তোরা ১০০ বছরেও হতে পারবি না।

দৈনিক প্রথম আলোর খবরে বলা হয়, ‘দুই বছর আগেই মাথাপিছু আয়ে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৬৫২ ডলার। ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৫১ ডলার। পরের বছর তা আরও বেড়ে হয় ১ হাজার ৯০৯ ডলার। অন্যদিকে পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় কমে ১ হাজার ৪৯৭ ডলারে নেমে যায়। প্রথম আলো অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেনের মতামত নেয়। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যাওয়া খুবই সন্তুষ্টির বিষয়। বৈষম্যই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট। বাংলাদেশের ভাল করার স্পৃহা ছিল। আর পাকিস্তান নানা ধরনের অস্থিরতার কারণে পিছিয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, শুধু পাকিস্তান নয়, মাতৃমৃতু্যু, গড় আয়ু, শিশুমৃত্যুর মতো মানব উন্নয়ন সূচকের কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।’ প্রথম আলোর খবরে আরও বলা হয়, ‘মুক্তিযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে শুরু হয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অভিযাত্রা। বিশেষ করে এক দশক ধরেই এ দেশে দ্রুত প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। এমন উচ্চ প্রবৃদ্ধি গোটা বিশ্বে হাতেগোনা কয়েকটি দেশে হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের পর দেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে নামেনি। অন্যদিকে গত দেড় দশকে পাকিস্তানে প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি হয়নি। মাথাপিছু আয় গত এক দশকে বাংলাদেশে দ্বিগুণের বেশি হলেও পাকিস্তানে মাত্র ৫০ শতাংশ বেড়েছে।...কাগজে-কলমে এখন পাকিস্তানে বেকার বেশি। বাংলাদেশে যেখানে বেকারের সংখ্যা ২৭ লাখ সেখানে পাকিস্তানে তা প্রায় ৩৮ লাখ। বেকারত্বের হার বাংলাদেশে ৬ শতাংশ, আর পাকিস্তানে ১৩.২৫ শতাংশ।

শ্রমশক্তিতে তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি। বাংলাদেশের ১ কোটি ৮৫ লাখ নারী মজুরির বিনিময়ে কাজ করেন। পাকিস্তানে এই সংখ্যা ১ কোটি ৩৫ লাখ। অর্থাৎ পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশে প্রায় ৫০ লাখ বেশি নারী কাজ করেন। পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুসারে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য শামসুল আলম বলেন, ‘পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মূল কারণ হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, যা অনেক ভবিষ্যতমুখী। সরকারের নীতিগুলোও বাজারমুখী। এতে সমাজের নিচের স্তরে থাকা মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে।’

পত্রিকার মতে বাংলাদেশীদের গড় আয়ু পাকিস্তানীদের চাইতে বেশি, তাদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এগিয়ে। অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাক্ষরতার হারও বেশি।

পাকিস্তানীদের চেয়ে এখন বাংলাদেশীরা গড়ে ছয় বছর বেশি বাঁচেন। বাংলাদেশে গড় আয়ু এখন ৭৩ দশমিক ৪ বছর, যা পাকিস্তানে ৬৮ দশমিক ১ বছর।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ সামলাতে জন্মনিয়ন্ত্রণে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশে কয়েক বছর ধরেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে পাকিস্তানে এই হার ২ শতাংশ, যা দুই বছর আগে ছিল ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

বাংলাদেশে স্বাক্ষরতার হার এখন ৭৩ দশমিক ২ শতাংশ। পাকিস্তানে এই হার ৫৭ শতাংশ। বাংলাদেশের নারী-পুরুষের মধ্যে স্বাক্ষরতার হার প্রায় কাছাকাছি থাকলেও পাকিস্তানে নারীরা শিক্ষায় বেশ পিছিয়ে।

এক বছর বয়স হওয়ার আগে প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে বাংলাদেশে মারা যায় ৩১.৭ জন, আর পাকিস্তানে মারা যায় ৫২.১ জন। জন্মের পাঁচ বছরের মধ্যে নানা রোগশোকে প্রতি হাজারে এ দেশে মারা যায় ২৯ জন, পাকিস্তানে তা ৭৪ জন। গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের কারণে বাংলাদেশে প্রতি এক লাখে ১৬৯ জন মা মারা যান। পাকিস্তানে মারা যান ১৭৮ জন মা।

আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ পাকিস্তানের চেয়ে বহুগুণ বেশি। এই প্রবৃদ্ধির বেশিরভাগই রফতানিনির্ভর, যা ১৯৭১ সালে শূন্যের কোটা থেকে ২০১৮ সালে এসে দাঁড়িয়েছে বছরে সাড়ে তিন হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। যেখানে পাকিস্তানের বার্ষিক রফতানি আয় আড়াই হাজার কোটি ডলারের কিছু কম। পাকিস্তানের আরেক উল্লেখযোগ্য গণমাধ্যম ট্রিবিউন সরাসরি সম্পাদকীয় প্রকাশ করে লিখেছে, তুলনামূলক সম্পদশালী পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা আরও বিস্ময়কর; কারণ যুক্তরাষ্ট্র, চীন কিংবা সৌদি আরবের মতো দেশটি প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ নয়। তাদের নেই রাসায়নিক অস্ত্র, নেই বিশ্বসেরা সেনাবাহিনী, এমনকি দক্ষ পেশাজীবীতেও পরিপূর্ণ নয় দেশটি। কিন্তু এখনও সেখানে বিভিন্ন সংস্কৃতি এবং উদার পরিবেশ বিরাজমান। বাংলাদেশের এমন এগিয়ে যাওয়া পাকিস্তানের জন্য শিক্ষণীয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সাল নাগাদ বর্তমানের তুলনায় বাংলাদেশের রিজার্ভের পরিমাণ বাড়বে প্রায় দেড়গুণ। পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল চার দশমিক ২ কোটি, যেখানে পশ্চিম পাকিস্তানের তৎকালীন জনসংখ্যা ছিল তিন কোটি ৩৭ লাখ। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি আর পাকিস্তানের ২০ কোটি। ধারাবাহিক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী এদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমাতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। কিন্তু পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোন পরিকল্পনা দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বলছে, পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের নারীরাও এগিয়ে অনেকাংশে। এদেশে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ নারী কর্মমুখী, যেখানে পাকিস্তানে এই সংখ্যা ২৫ দশমিক ১ শতাংশ। ২০২৩ সাল নাগাদ শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬তম হবে। আর ২০২৮ সাল নাগাদ ২৭তম অবস্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ। ২০৩৩ সাল নাগাদ এ অবস্থান হবে ২৪তম।

পাকিস্তানীরা মনে করে সামরিক স্বৈরাচার ও মৌলবাদ পাকিস্তানকে তলানিতে নিয়ে গেছে। জঙ্গীবাদের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াও ফতোয়াভিত্তিক শাসনব্যবস্থা পাকিস্তানের অগ্রযাত্রাকে স্থবির করে দিয়েছে। সাম্প্রতিককালে একই পথে যাত্রা শুরু করেছে ভারত। পাকিস্তান মুসলিম সাম্প্রদায়িকতায় যুক্ত হয়েছে আর ভারত গড়ে তুলছে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা। বাংলাদেশের সৌভাগ্য যে, এই দুই অত্যাচার থেকেই বেঁচে আছি আমরা। একটি মুসলিম প্রধান দেশ হয়েও আমরা এখনও একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ হয়েই বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে আছি। একটি ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতবর্ষের সেরা এই দেশটি তৈরি করে গেছেন। জয় বাংলা।

(১৬ ডিসেম্বর ১৯ প্রকাশিত বাংলাদেশ প্রতিদিন ও দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুসরণ করে)

ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর ১৯ ॥

লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাস-এর চেয়ারম্যান- সাংবাদিক, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যার-বিজয় ডিজিটাল শিক্ষা এর প্রণেতা ॥

[email protected]

www.bijoyekushe.net.