২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান পিপলস লিজিংয়ের আমানতকারীরা

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান পিপলস লিজিংয়ের আমানতকারীরা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের আমানতকারীরা মানববন্ধন করেছেন। এসময় দ্রুততার সাথে নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করে টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তারা।

রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড আমানতকারী কাউন্সিল।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পিপলস লিজিংয়ের উদ্যোক্তা পরিচালকরা সাধারণ আমানতকারীর হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো এর দায় এড়াতে পারে না। অসহায় আমানতকারীদের কথা চিন্তা করে দ্রুত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান বক্তারা।

আমানতকারী কাউন্সিলের আহ্বায়ক মো. আনোয়ারুল হক বলেন, বর্তমানে হাজারো আমানতকারী অনিশ্চিত জীবন যাপন করছেন। এই টাকা দিয়ে অনেকের পরিবারের ব্যয় নির্বাহ, চিকিৎসা খরচ এবং লেখাপড়ার খরচ চলত। অনেক প্রবাসীও এখানে আমানত রেখেছিলেন। কিন্তু সব হারিয়ে তারা আজ নিঃস্ব। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রীর সাথে দেখা করলেও এখনো পর্যন্ত কোন ফলাফল আসেনি। তাই এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আমানতকারীরা।

মানববন্ধনে তিনটি জোর দাবি জানিয়েছেন আমানতকারীরা। ১. ছয় হাজার আমানতকারীর টাকা দ্রুত ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ। ২. পিপলস লিজিং কে সরাসরি অবসায়ন না করে ফারমার্স ব্যাংকের মতো পুনঃগঠনের আহ্বান ও ৩. অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

উল্লেখ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে না পারায় গত বছরের ১৪ জুলাই প্রতিষ্ঠানটি অবসায়ন চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আবেদন গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। ১৫ সেপ্টেম্বর পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সম্পদ মূল্যায়নের কাজে বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান একনাবিন চার্টার্ড একাউন্টেন্টস কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রথমবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মার্চ পর্যন্ত সময় চেয়ে আবেদন করলে ৪৫ দিন সময় দেন হাইকোর্ট।