২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস), অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিভাগের এক যৌথ গবেষণায় ঢাকা সম্পর্কে অভাবিত তথ্য উঠে এসেছে। ‘ঢাকা শহরের উত্তাপ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে অভিযোজন: টেকসই উন্নয়নের ওপর প্রভাব’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। নগরায়ণ ও ক্রমবর্ধমান শিল্পকারখানার কারণে দেশের শহরগুলোর তাপমাত্রা দিন দিন বাড়ছে। গ্রীষ্ম ও বর্ষায় গ্রামের চেয়ে ঢাকা শহরের তাপমাত্রা প্রায় সাড়ে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকছে। শহরের অপরিকল্পিত এলাকার চেয়ে গুলশান বনানীর মতো পরিকল্পিত এলাকা বেশি উত্তপ্ত হচ্ছে। কারণ ওই এলাকাগুলোতে অপেক্ষাকৃত ধনী মানুষেরা বসতি ও অফিস স্থাপন করছেন। তারা ঘরের মধ্যে বেশি পরিমাণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র স্থাপন করছেন। ফলে ঘর ঠান্ডা হলেও বাইরের তাপমাত্রা বাড়ছে। গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন শেষে ঢাকা শহরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। রাজধানীর বহুতল ভবনের ছাদ ও বারান্দায় গাছ লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর যেটুকু সবুজ এলাকা ও জলাশয় টিকে আছে, তা রক্ষা করার তাগিদও দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ভবন ও শিল্পকারখানাগুলো যদি নিজেদের কার্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগায়, তাহলে তাদের কর রেয়াতের সুবিধা দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

গবেষণায় যা বলা হয়, তা ঢাকাবাসীর কাছে নানাভাবে এর আগেও বহুবার তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, ঢাকায় মোট আয়তনের মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ এখন সবুজ এলাকা হিসেবে টিকে আছে। আর বাকি ভূখণ্ড নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ করে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ঢাকায় রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো এত বড় সবুজ এলাকা আর তৈরি করা হয়নি। বরং একের পর এক জলাশয় ভরাট করে বসতি এলাকা গড়ে তোলা হয়েছে।

এতথ্যও বহুল প্রচারিত যে, ঢাকা শহরের প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৫৫ হাজার মানুষের বাস। এই অল্প পরিমাণে জমিতে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের সঠিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিবছর কয়েক লাখ মানুষ রাজধানীসহ বড় শহরে এসে বসতি গড়ছে। ফলে শহরগুলোকে যেমন বাড়তি মানুষের বসতির জন্য প্রস্তুত করতে হবে, আবার গ্রামেও যাতে মানুষ থাকতে পারে, সে ব্যবস্থাও করতে হবে।

নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলাম কী বলেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি বলেন, শহরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে পরিকল্পিত নগরায়ণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে শহরের সবুজ এলাকা ও জলাভূমি রক্ষায় আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। লক্ষণীয় হলো কাজের কথাগুলো নানাভাবে তুলে ধরা অব্যাহত রয়েছে। এবার চাই জোরালো কার্যকর উদ্যোগ।

ধুলোয় অসহায়

অলিগলিতে অবিরাম রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি চলছে এবং ক্রমান্বয়ে তা অসহনীয় হয়ে উঠছে। ধুলোর দাপট এবং গর্তের বিপদ নগরবাসীর নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা। শীতকাল বিদায় নেয়ার আগেই হঠাৎ করে অসহনীয় গরম পড়ে যাওয়ায় ঢাকাবাসীর কষ্টকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে শহরময় ধুলোর দাপট। ঢাকার বেশ কয়েকটি প্রধান সড়ক মেট্রোরেলের প্রকল্পের কাজের কারণে সঙ্কীর্ণ হয়ে সোজাসুজি অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে যানবাহনের চাপ সামলাতে গিয়ে সড়কগুলোর লবেজান অবস্থা। গাড়ি চলছে এক লেনে। মানে এক সারিতে। কোন কোন রাস্তায় পাশাপাশি দুটো প্রাইভেট কারও চলতে পারছে না। ফলে ধীরগতিতে এবং থেমে থেমে চলতে গিয়ে যাত্রীদের সময় ব্যয় হচ্ছে বেশি। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ লাইন ও পানি বা গ্যাসলাইনের জন্য সড়কের একপাশ বা মাঝখানে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। সব মিলিয়ে ধুলো হচ্ছে প্রচুর। কিছু কিছু রাস্তায় তো প্রায় কুয়াশার মতো বিস্তৃতি পাচ্ছে ধুলো। রীতিমতো মরুভূমি দশা। পানি ছিটালে ধুলার আগ্রাসন কমে যাবে, জানে কর্তৃপক্ষ। তবে অজ্ঞাত কারণে তারা নিয়মিত পানি ছিটানোর কাজ করছে না। বললে ভাল শোনায়, করতে পারছে না। কেউ বলবেন, ঘণ্টায় ঘণ্টায় ধুলো বাড়ছে। প্রতি ঘণ্টায় তো আর পানি দেয়া সম্ভব নয়। কথা সত্য। যে সড়কে প্রতি মিনিটে শত গাড়ি পার হচ্ছে সঙ্কীর্ণ পথ দিয়ে, সেখানে ধুলো উড়বেই। সেই ধুলোকে বাগে আনার জন্য যত ঘন ঘন পানি দেয়া দরকার রাস্তায়, সেটি করতে গেলে মহাব্যস্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে গভীর রাতে পানি দিতে হচ্ছে। সকালে রাস্তা থাকছে কর্দমাক্ত, অথচ বাতাসে ধুলোর ওড়াউড়ি। ঢাকা এখন ধূলিধূসরিত তো বটেই, তবে বিষয়টি কাব্যিক নয় মোটেই। ধুলোয় লুটানো দিন থেকে কবে রেহাই মিলবে ঢাকাবাসীর তা নিশ্চিত করে কে বলবে? তবে ধুলোর ধকল অনেকেরই সহ্য হচ্ছে না। ধুলোজনিত অসুখবিসুখ বাড়ছে। শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট একটু বেশি।

গুণী নাট্যকর্মীর প্রস্থান

নাট্যাঙ্গনে দ্রোহী হিসেবে পরিচিত গুণী নাট্যকর্মী ইশরাত নিশাত চলে গেলেন। এমন কিছু বয়স হয়নি তাঁর, মোটে ছাপ্পান্ন। হার্ট এ্যাটাকে চলে গেলেন অকালে। নাট্যজগতে প্রথম যেদিন পা রাখলেন নিশাত সেই স্মৃতি ভেসে উঠলো মানসপটে। নিশাতের মা ছিলেন দেশের অত্যন্ত শক্তিমান অভিনয়শিল্পী নাজমা আনোয়ার। আমরা তখন আরণ্যক নাট্যদল করি। আশির দশকের শুরুর দিককার কথা। তরুণী কন্যাকে নিয়ে এলেন মা একদিন রিহার্সালে। আমরা সবাই হয়ে গেলাম তার মামা। দুজনে সমবয়সী, পরে বন্ধু হয়ে উঠি আমরা। আর মামা নয়, নাম ধরেই ডাকতেন। আমাদের আরেক সহনাট্যকর্মী সাইফুল (তিনিও অকালপ্রয়াত) আর নিশাত কবিতাও লিখতেন। আমরা তিনজনে মিলে প্রথম যৌথ কবিতার বই বের করবো বলে ফটোশুটও করে রেখেছিলাম। নিশাতই নির্দেশনা দিয়েছিল ছবি তোলার। রবীন্দ্রনাথের মতো আলখেল্লা পরেছিল নিশাত প্রগাঢ় কালো রঙের। আলোকচিত্রী ছিলেন বিখ্যাত নাসির আলী মামুন। বই আর বের করা হয়নি। যাহোক, নিশাত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র পেয়েছিলেন আরণ্যকে মামুনুর রশীদের গিনিপিগ নাটকে। মা-মেয়ের প্রথম একসঙ্গে মা-মেয়ের চরিত্রে অভিনয়। আমি নিশাতের মামার চরিত্রে। দলের বাইরে আমরা একাধিক জার্মান নাটকেও অভিনয় করেছিলাম, মনে পড়ে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আমরা করতাম দারুণ প্রতিবাদী পথনাটক, মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের জীবননির্ভর নাটক। একবার দুজনে মিলে বাংলা একাডেমির মঞ্চে আমার কবিতাও পড়েছিলাম একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতে। নিশাত পরে দেশ নাটক নামে একটি নাট্যদলে যুক্ত হন। নাটকই ছিল তাঁর সংসার। চব্বিশ ঘণ্টাই প্রিয় এই সংসারকে সময় দিতেন। নতুন নাট্যকর্মীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন তিনি, নাট্যাঙ্গনে সর্বস্তরের নাট্যকর্মীদের ভালোবাসা পেয়েছেন। এমন একজন গুণী শতভাগ নিবেদিত নাট্যকর্মীর অকালপ্রয়াণ আমাদের বিমূঢ় করে দেয়।

বঙ্গবন্ধু বিপিএল

শুক্রবার শেষ হলো বিপিএল। এবারই প্রথমবারের মতো কোন বিদেশী খেলোয়াড়ের অধিনায়কত্বে কাপ জিতল একটি টিম। মুশফিকুর রহীমদের খুলনা টাইগার্সকে দারুণভাবে ফাইনালে পরাস্ত করে আন্দ্রে রাসেলের টিম রাজশাহী রয়্যালস। নাম দেশী, কিন্তু রয়েছে বিদেশী খেলোয়াড়ও। দেশের মাটিতে জমজমাট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট উৎসব। এবারের বিপিএল আগের টুর্নামেন্টের তুলনায় আরও বেশি উপভোগ্য, আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। ২০১২ সালে পথচলা শুরু হয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের।

বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রিয় জাতি। আমরা দেখেছি বিশ্বকাপ ক্রিকেট আসরের পরই ক্রিকেট বিশ্বে উত্তাপ ছড়িয়ে আসছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। বাংলাদেশও সে ধারায় বিশ্বে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে একটা অবস্থান করে নিয়েছে। বিপিএল আসরে এক ধরনের উত্তেজনায় পেয়ে বসে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। বলা যায়, খেলা চলাকালীন বিপিএল জ্বরে বেশ শক্তভাবেই আক্রান্ত হয়ে থাকে দেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। এবারো তার ব্যত্যয় হয়নি।

বিপিএল বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা। এ ধরনের আয়োজন পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কার আগে বাংলাদেশ করে দেখিয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গৌরবের। দর্শকপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের জন্য বিপিএল আর্থিক নিশ্চয়তার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অধিকতর বাণিজ্যিক এ আয়োজনে খেলোয়াড়দের উপার্জন সম্মানজনক হয়ে থাকে। বিপিএল আয়োজনে কিছু অব্যবস্থাপনা লক্ষ্য করা গেছে অতীতে, কিছু কলঙ্কও লেগেছে এর গায়ে। এবার তেমনটা ঘটেনি বলে ভক্তরা স্বস্তি পেয়েছেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এখন আগের চেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছেন। সেসব ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের কেউ কেউ দেশের মাটিতে তাদের সতীর্থ হয়ে খেলেছেন বিপিএলে। এটা অন্যরকম এক আনন্দময় অভিজ্ঞতা। এর ভেতর দিয়ে জয়ী ও বেগবান হয়ে চলেছে ক্রিকেট নামক অনিশ্চয়তার এক অনন্য খেলাই। উপভোগ্য বিপিএলের মধ্য দিয়ে দেশের ক্রিকেট আরেকটু উঁচুতে উঠল, আমাদের তারকারা পেল খানিকটা অধিক উজ্জ্বলতা, একথা স্বীকারেও সুখ।

জমজমাট নির্বাচনী প্রচার

পূজার কারণে শেষ পর্যন্ত দুদিন পেছালো সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। সে হিসেবে এখন চলছে প্রচারের পিকআওয়ার। রাজধানীর সর্বত্র সাদাকালো ছোট পোস্টার চোখে পড়ছে। বেশ একটা উৎসব উৎসব ভাব চারদিকে। প্রধান প্রধান প্রার্থীরাও কথার ফুলঝুরি ছোটাচ্ছেন। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান চার প্রতিদ্বন্দ্বীর সর্বশেষ প্রদত্ত বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে সবাই নিজের নিজের জয়ের ব্যাপারে আস্থাশীল। জেনে নেয়া যাক তাদের অতিসাম্প্রতিক বক্তব্যের সারকথা।

শত শত নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ শুরুর আগে দক্ষিণের আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমি হয়তোবা একমাত্র মেয়র প্রার্থী, যিনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকাকে নিয়ে চিন্তা করে সুনির্দিষ্ট উন্নয়নের রূপরেখা দিয়েছি। পাঁচটি ভাগে উন্নয়নের রূপরেখা ভাগ করেছি। প্রথমেই হলো আমাদের ঐতিহ্যের ঢাকা। এই ঢাকাকে আমরা ভালোবাসি। আমাদের ঐতিহ্যের ঢাকা, গর্বের ঢাকা। সেই গর্ব, ঐতিহ্যকে আমরা পুনরুদ্ধার করতে চাই। ঐতিহাসিক ঢাকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে আমরা পুনরুজ্জীবিত করে উন্নত ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলব।’

‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলেছেন, ‘পরিকল্পনা সবারই আছে। আগে নগরটাকে বাঁচাতে হবে। কারণ ঢাকা অবাসযোগ্য, নিরাপত্তাহীন শহরে পরিণত হয়েছে। আমরা নারী ও শিশু বান্ধব ঢাকা গড়তে চাই, আধুনিক ঢাকা গড়তে চাই।’ ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন নগরবাসীর সমস্যা সমাধানে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা দেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা চাই, একটি স্মার্ট ঢাকা। এই স্মার্ট ঢাকার জন্য আমাদের হাতে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ‘নগর এ্যাপস’-এর মাধ্যমে ঢাকাবাসী ছবি তুলে পাঠাবে। বাকি কাজ হচ্ছে ডিএনসিসির। সাত দিনের মধ্যে যদি না করে, তাহলে তখন মেয়রকে জবাবদিহি করতে হবে। নগরবাসী ময়লায় স্তূপের ছবি তুলে দেবেন, লাইটবিহীন ল্যাম্পপোস্ট থাকলে ছবি তুলে দেবেন, ম্যানহোলের ঢাকনা না থাকলে ম্যানহোলের ছবি তুলে দেবেন- এই ছবি তুলে পাঠিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতর সেখানে চলে যাবে। তিনি বলেন, যদি সাত দিনের মধ্যে কাজ না হয়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষয়টি মেয়রের দৃষ্টিগোচর হবে। তখন দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে জবাবদিহি চাইবেন মেয়র।’

১৯ জানুয়ারি ২০২০

[email protected]