২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিশ্ব আরচারির বর্ষসেরা ব্রেক থ্রু এ্যাথলেট রোমান সানা

বিশ্ব আরচারির বর্ষসেরা ব্রেক থ্রু এ্যাথলেট রোমান সানা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বিশ্ব আরচারির বর্ষসেরা ব্রেক থ্রু এ্যাথলেট নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের তারকা তীরন্দাজ রোমান সানা। আর বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশের জার্মান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক। রবিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইনডোর আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শেষে রোমান ও ফ্রেডরিকের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৯ সালের বর্ষসেরা নির্বাচনের জন্য জানুয়ারি মাসে নিজেদের ওয়েবসাইটে সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল বিশ্ব আরচারি ফেডারেশন। রোমান সানা ছিলেন রিকার্ভ পুরুষ বিভাগের ব্রেক থ্রু ক্যাটাগরিতে। রিকার্ভে সেরা হতে না পারলেও ব্রেক থ্রু ক্যাটাগরির পুরস্কার ঠিকই জিতে নিয়েছেন তিনি। গত বছরটি উদ্ভাসিত সাফল্য দিয়ে মোড়ানো ছিল রোমান সানার। এশিয়া কাপ-ওয়ার্ল্ড রাংকিং আরচারিতে ব্যক্তিগত রিকার্ভে স্বর্ণপদক জেতেন। বিশ্ব আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জপদক জিতে টোকিও অলিম্পিকে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। এছাড়া ডিসেম্বরে নেপালে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে তিনটি স্বর্ণপদক জেতেন তিনি।

রোমান রিকার্ভের বর্ষসেরা আরচারের দৌড়েও সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন। বিশেষজ্ঞ প্যানেল এবং সাধারণের ভোটে শেষ পর্যন্ত তা জিততে না পারলেও বিশেষজ্ঞদের চোখে তিনিই ছিলেন গত বছর অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখানো সেরা আরচার। এই সুখবরটি পাওয়ার পর রোমানের ভাষ্য, আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া এটি। কখনও ভাবিনি এমন সম্মান অর্জন করতে পারব। আসলে মনোনয়ন পাওয়াটাই আমার কাছে বড় ছিল। সামনেই অলিম্পিক গেমস। আমি যেন নিজের সেরাটা দিয়ে দেশকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারি, সেই দোয়া চাইবেন। তিনি যোগ করেন, আমি বিশ্বাস করি, কঠোর পরিশ্রম কখনও বৃথা যায় না। সেই সঙ্গে ভাগ্যের সহায়তাও প্রয়োজন।

এই অর্জন সামনের দিনগুলোতে দেশকে আরও ভালো কিছু উপহার দেয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করবে বলেও মনে করেন রোমান। রিকার্ভ পুরুষ এককে সেরা না হলেও হতাশা নেই রোমানের। যেকোন ক্যাটাগরিতে বর্ষসেরার স্বীকৃতি পেয়েই উচ্ছ্বসিত তিনি। তিনি আরও বলেন, কোন স্বীকৃতি চাপ তৈরি করে না। আমি সবসময় আমি নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলার চেষ্টা করি। বাকিটা আল্লাহ সহায়। আমি আমার চেষ্টা করতে পারি, সেটাই করি। আমি বিশ্বাস করি, কঠোর পরিশ্রম কখনও বৃথা যায় না। তবে অনেক সময় কঠোর পরিশ্রমও ব্যর্থ হয়ে যায়, ভাগ্য সহায় না হলে।

একসময় বাংলাদেশের আরচারিতে মাত্র ২০-৩০ খেলোয়াড় ছিল। এখন কিন্তু সময় বদলেছে। ট্রায়ালেও শতাধিক আরচার হাজির হয়।