২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলে হামলা-ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলে হামলা-ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক ॥ রাজধানীর ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পাশ্ববর্তী কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমল ওনার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের বিরোধের জেরে কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিং মল ওনার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন।

বুধবার ধানমন্ডি ৪ নং রোডের ২ কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন এসোসিয়েশনের সভাপতি সানাউল হক নীরু।

সংবাদ সম্মেলনে সানাউল হক নীরু রাজউকের নকশা বাতিল করতে ল্যাবএইড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিংমলে হামলা ও ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি একেএম সাইফুর রহমান, সেক্রেটারী মোক্তার হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী লোকমান হামীম ভূইঁয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদ আহমেদ বাবু প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে সানাউল হক নীরু বলেন, রাজউকের নকশা অনুযায়ী ২০০২ সালের ১ নবেম্বর শপিং মলটি উদ্বোধন করা হয়। ওই নকশার উপর ভিত্তি করেই এখানে ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানসহ বিভিন্ন পজিশন ক্রয় করেন। কিন্তু ২০০৫ সালে হঠাৎ করে জানা যায়, কনকর্ড কর্তৃপক্ষ মার্কেটের তৃতীয় তলার ৩০১-০৫১ চতুর্থ তলার ৪০১ থেকে ৪৫১ এবং পঞ্চম তলার ৭০০০ বর্গফুট ল্যাবএইড হাসপাতালের কাছে বিক্রি করে দেয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ওই দোকানগুলো ভেঙ্গে হাসপাতাল নির্মাণ করে। হাসপাতালের মধ্যে ক্রেতাসংখ্যা কমে যাওয়ায় চরম ক্ষতির শিকার হন ব্যবসায়ীরা। পরে আদালত দোকান ভেঙ্গে হাসপাতাল নির্মানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু তারপরও ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাতে মার্কেটটি ভেঙ্গে রাজউকের নকশা পরিবর্তন করে ব্যবসায়ীদের পথে বসানোর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদের কাছ থেকে মার্কেট কর্তৃপক্ষ পাঁচ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার মতো বকেয়া পাবে। তাও পরিশোধ করছে না। এসব বিষয় নিয়ে এবং রাজউকের নকশা পরিবর্তনের বিষয়ে মার্কেট কর্তৃপক্ষ রাজি না হওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি সকালে ল্যাবএইড হাসপাতালের এমডি ডা. এমএ শামীম বহিরাগত লোকজন লাঠি-সোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের শপিং মলে হামলা চালায়। শপিং মলের পশ্চিম দিকের মেইন গেটের গ্লাস ডোরসহ গেটের উপর গ্লাস ভাংচুর, ব্যাংকের এটিএম বুথ, নিফট ও নিচ তলার ১০১ নম্বর দোকানে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় তাদের হামলায় শপিং মলের সিকিউরিটি গার্ডসহ ১০/১২ জন গুরুতর আহত হন। দ্বিতীয় দফায় বিকেলে হামলা চালানোর সময় পুলিশ একজন চিকিৎসকসহ ৭ জনকে আটক করে। পরবর্তীতে আমরা শপিং মলের শাটার বন্ধ করে ভেতরে মিটিং করা অবস্থায় আমাকেসহ পাঁচজনকে আটক করে। পরবর্তীতে আমরা জামিনে বেরিয়ে আসি। এ ঘটনায় আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক বিচারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করে শপিং মলের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।