২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এখনও সবার হৃদয়ে মুন্না!

এখনও সবার হৃদয়ে মুন্না!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের ফুটবলের উজ্জ্বল নক্ষত্র মোনেম মুন্না। কিং ব্যাক খ্যাত সাবেক এই কিংবদন্তীর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল বুধবার। সুদর্শন এই ফুটবলারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করেছেন বিভিন্ন সংগঠন, সাবেক ও বর্তমান ফুটবলাররা।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আগের দুই বছর মুন্নাকে স্মরণ না করলেও এবার ভুলটি করেনি। প্রয়াত সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার মুন্নাকে স্মরণ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা। এক বার্তায় বাফুফে সভাপতি কাজী মোঃ সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগসহ নির্বাহী কমিটির সবাই পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। মুন্নার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর নিজ জেলার নারায়ণগঞ্জ সোনালী অতীত ক্লাব ও মুন্না স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে কবরে ফুল দেয়া হয়। নারায়ণগঞ্জ সোনালী অতীত ক্লাবে মিলাদ মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়। এছাড়া মুন্নার বাসভবন ও বন্দরে মুন্না স্মৃতি সংসদে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৩৯ বছর বয়সে কিংবদন্তি মুন্না সবাইকে অশ্রুজলে ভাসিয়ে চলে যান না-ফেরার দেশে। এত অল্পবয়সে তাঁর চিরবিদায়ে ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছিল বিষাদের ছায়া। ২০০০ সালের প্রারম্ভে হঠাৎ করেই কিডনি ফেল করলে ডাক্তাররা দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেন। ওই বছরের মার্চে ভারতের ব্যাঙ্গালোর থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় তাঁর শরীরে। মুন্নার বড় বোন শামসুননাহার আইভী তাঁকে একটি কিডনি দান করেন। এরপর টানা পাঁচ বছর ভাল থাকলেও ২০০৫ সালে মুন্না আবারও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবশেষে চিরকালের জন্য তিনি বিদায় নেন।

১৯৯১ সালে ঢাকা আবাহনী থেকে মুন্না পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ২০ লাখ টাকা। যেটা ওই সময় কেবল বাংলাদেশের কোনও ফুটবলারের রেকর্ড পারিশ্রমিক নয়; উপমহাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এখনকার ফুটবলাররা তার রেকর্ড ভাঙলেও সেই ২০ লাখের আবেদন এখনও রয়ে গেছে।