২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আবারও নেইমারকে ক্ষমার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো বার্সা!

আবারও নেইমারকে ক্ষমার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো বার্সা!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ মৌসুমের শুরুতে অনেক দৌড়ঝাঁপ করেও নেইমারকে ফেরাতে পারেনি বার্সেলোনা। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের বর্তমান ক্লাব পিএসজির একরোখা আচরণের কাছেই হার মানতে হয়েছিলো তাদের। তবে কানাঘুষোও ছিলো, সাবেক তারকাকে নাকি ফেরানোর সেরকম চেষ্টাই করেনি ক্লাবটি, যা পরে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসির মনে। অধিনায়ককে শান্ত করার জন্য বার্সা এবার কথা দিয়েছে, যে করেই হোক ফেরানো হবে নেইমারকে। তবে এবারও থাকতে পারে কিছু শর্ত যা উঠে এসেছিলো মৌসুমের শুরুতেও!

বার্সায় আসতে হলে কী কী করতে হবে নেইমারকে সে বিষয়ে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন ক্লাবটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জর্ডি মেস্ত্রে। তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো নেইমারের ক্ষমা চাওয়া! সঙ্গে তুলে নিতে হবে সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে ২৮ বছর বয়সী তারকার করা মামলাগুলোও!

সে যে ফিরতে চায় সেটা তাকে বোঝাতে হবে। বার্সার বিপক্ষে যে মামলা করেছে সেগুলোও তুলে নিতে হবে। ক্ষমা চাইতে হবে। সর্বোপরি ভদ্রলোকের জীবনযাপন করতে হবে।

২০১৭ সালে ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে পাড়ি জমান নেইমার। ফুটবল বিশ্বে এটিই এখন পর্যন্ত দলবদলের রেকর্ড। প্যারিসে যাওয়ার আগে বার্সার আগে চুক্তি নবায়ন করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড যার ফলে বড় একটা পরিমাণ সাইনিং বোনাস পাওয়ার কথা ছিলো তার। চুক্তির পরপরই পিএসজিতে চলে যাওয়ায় সে বোনাসটা দিতে অস্বীকৃতি জানায় বার্সা, আর সেজন্য মামলা ঠুকে দেন নেইমার। সেই মামলা এখনও চলছে।

তবে পিএসজিতে গিয়েই মোহ ভাঙে নেইমারের। একের পর এক অশান্তি, দ্বন্দ্ব আর চোট মিলিয়ে প্যারিস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন এ ফরোয়ার্ড। ফিরতে চেয়েছিলেন বার্সাতেই। প্রয়োজনে ক্ষমা চাওয়া থেকে শুরু করে মামলা তুলে নেয়া, এমনকি নিজের পকেট থেকে ২০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষপর্যন্ত সবই হয়েছে ব্যর্থ!

এতকিছুর জন্য নেইমারকেই দোষ দিচ্ছেন মেস্ত্রে। তিনি নিজে হলে সাবেক এই তারকাকে কখনোই ফেরাতেন না বলেও দাবি তার, আবেগের দিক থেকে চিন্তা করলে সে যেভাবে চলে গেছে আমি হলে এজন্য কখনোই তাকে ফেরাতাম না। তবে ক্লাবের জন্য হলে হয়তো করতাম।কেউ জানতো না সে ক্লাব ছাড়তে চাচ্ছে, কারণ সে কাউকেই এ বিষয়ে জানায়নি। এরপরই সে সেখানে গিয়ে কান্নাকাটি শুরু করলো আর আবার আমাদের এখানে ফিরতে চাইলো।