২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যারা লেখাপড়া করছে তাদের চাকরির অভাব হবে না ॥ অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা, গোপালগঞ্জ, ১৪ ফেব্রুয়ারি ॥ আজ যারা বড় হচ্ছে, যারা লেখাপড়া করছে, তাদের কখনও চাকরির অভাব হবে না। আমাদের দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে প্রায় ৬১ ভাগ। যারা লেখাপড়া করছে, তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাতে ভাল ভাল চাকরি পায় সে ব্যবস্থা করা হবে। আর যাদের সেটা সম্ভব হয়নি, তারাও যাতে কিছু করে খেতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীতে দেশের মানুষের কাছে এটা আমাদের অঙ্গীকার। শুক্রবার বিকেল তিনটায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা ব্যক্ত করেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলে অসংখ্য অসাধারণ ফ্যাক্টরি/কারখানা গড়ে উঠবে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হবে। স্বাভাবিকভাবেই সে সময় সকল ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল দু’টি। একটি হলো, স্বাধীন বাংলাদেশ-একটি পতাকা-একটি ভূখন্ড এবং আরেকটি হলো এদেশের অর্থনৈতিক মুক্তি। তার স্বপ্ন ছিল, বাঙালী জাতি একদিন বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে সবার উপরে অবস্থান নেবে। তাই জাতির পিতার সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে যা যা করা প্রয়োজন, আমরা অবশ্যই করব।

অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা এদেশের সকল মানুষের কাছে অর্থবহ। মহান আল্লাহ্ তা’লা জাতির পিতাকে বাঙালী করে না পাঠালে এ বাংলাদেশ কখনও স্বাধীনতার মুখ দেখত না। তার কাছে আমাদের যে দেনা-দায়, তা কিছুটা হাল্কা করার জন্য আমি এখানে এসেছি।

তিনি বলেন, কয়েকদিন পরেই জাতির পিতার শততম জন্মবার্ষিকী। ওই দিনটির জন্য আমরা উজ্জীবিত হয়ে আছি।

দেশের তরুণ সমাজ এবং আগামী প্রজন্মের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা জাতির পিতাকে দেখেননি, যুদ্ধ করার সুযোগ পাননি তারাও যেন জাতির পিতাকে, তার আদর্শকে, দেশের প্রতি তার মমত্ববোধকে এবং আমাদের প্রতি তার যে চিন্তা-চেতনা, সেটাকে যেন সবাই ধারণ করতে পারি।

এর আগে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি বেদিতে ফুল দিয়ে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বঙ্গবন্ধু ও ১৫-আগস্টের সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন।

এসময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট শেখ মোহম্মদ আবদুল্লাহ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সানোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ রুহুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান বাচ্চু, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল বশার খায়ের ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল শেখসহ স্থানীয় নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।